📍 Baridhara DOHS, Dhaka🕘 Sun – Fri, 10:00 AM – 7:30 PM
📞 01534-284407✉️ itrbd.ba@gmail.com
পেশাগত পরীক্ষার প্রস্তুতি

এলএলবি (অনার্স) ১ম বর্ষ – সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের এলএলবি ১ম বর্ষের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর পরীক্ষাভিত্তিক সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও মডেল উত্তর। উত্তর দেখতে প্রশ্নে ক্লিক করুন।

📌 এগুলো রিভিশনের জন্য মডেল উত্তর। পরীক্ষার আগে নিজের কলেজের সর্বশেষ সিলেবাস মিলিয়ে নিন এবং উত্তরে প্রাসঙ্গিক ধারা, অনুচ্ছেদ ও মামলার উদাহরণ যোগ করুন।

⚖️ আইনবিজ্ঞান

📘 আইনবিজ্ঞানের সম্পূর্ণ সংক্ষিপ্ত নোট পড়ুন (সিলেবাস অনুযায়ী) →

১. আইনবিজ্ঞান কী?
আইনবিজ্ঞান হলো আইনের মৌলিক নীতি ও তত্ত্বের অধ্যয়ন। সামন্ড একে বলেছেন “দেওয়ানি আইনের প্রাথমিক নীতিসমূহের বিজ্ঞান”, আর অস্টিন বলেছেন “প্রচলিত বা বাস্তব আইনের দর্শন”। আইন কী, এর উৎস কোথায় এবং এটি কীভাবে কাজ করে, আইনবিজ্ঞান তা ব্যাখ্যা করে।
২. অস্টিনের আইনের সংজ্ঞা দিন।
অস্টিনের মতে, আইন হলো সার্বভৌমের আদেশ, যা শাস্তির ভয় দ্বারা বলবৎ হয়। এর তিনটি উপাদান:
  • আদেশ,
  • সার্বভৌম, অর্থাৎ যাঁকে সমাজ অভ্যাসগতভাবে মান্য করে,
  • শাস্তি, অর্থাৎ আদেশ অমান্য করলে শাস্তি।
৩. আইনবিজ্ঞানের প্রধান মতবাদ বা স্কুলগুলোর নাম লিখুন।
  • বিশ্লেষণমূলক, যেমন অস্টিন ও বেন্থাম: আইন যেমন আছে।
  • ঐতিহাসিক, যেমন স্যাভিনি: আইন জনগণের চেতনা থেকে জন্মায়।
  • সমাজতাত্ত্বিক, যেমন রস্কো পাউন্ড: আইন “সামাজিক প্রকৌশল”।
  • প্রাকৃতিক আইন: যুক্তি ও নৈতিকতাভিত্তিক আইন।
  • বাস্তববাদী: আদালত বাস্তবে যা করে, তা-ই আইন।
৪. আইনের প্রধান উৎসগুলো কী কী?
প্রধান তিনটি উৎস হলো আইন প্রণয়ন (যেমন সংসদের প্রণীত আইন), নজির (অর্থাৎ উচ্চ আদালতের পূর্ববর্তী রায়) এবং প্রথা (অর্থাৎ দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা, অবিচ্ছিন্ন ও যুক্তিসংগত রীতি)। আইনবিদদের লেখা ও ন্যায়পরতা গৌণ উৎস।
৫. রেশিও ডিসিডেন্ডাই (সিদ্ধান্তের মূল যুক্তি) ও অবিটার ডিক্টা (প্রাসঙ্গিক মন্তব্য)-র পার্থক্য লিখুন।
রেশিও ডিসিডেন্ডাই হলো রায়ের জন্য অপরিহার্য আইনগত যুক্তি। এটি অধস্তন আদালতের জন্য বাধ্যতামূলক। অবিটার ডিক্টা হলো প্রসঙ্গক্রমে বলা মন্তব্য, যা রায়ের জন্য জরুরি নয়। এর শুধু প্ররোচনামূলক মূল্য আছে।

🏛️ বাংলাদেশের সাংবিধানিক আইন

১. বাংলাদেশের সংবিধান কবে গৃহীত হয় এবং কবে কার্যকর হয়?
গণপরিষদ সংবিধান গ্রহণ করে ৪ নভেম্বর ১৯৭২। এটি কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
২. অনুচ্ছেদ ৭-এ কী বলা হয়েছে?
অনুচ্ছেদ ৭ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ এবং সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন। অন্য কোনো আইন সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ হলে, যতটুকু অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততটুকু বাতিল।
৩. মৌলিক অধিকার সংবিধানের কোথায় আছে? এগুলো কি বলবৎযোগ্য?
মৌলিক অধিকার আছে তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬–৪৭ক)। অনুচ্ছেদ ৪৪ ও অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগে এগুলো বলবৎযোগ্য। অনুচ্ছেদ ২৬ অনুযায়ী মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল। উদাহরণ: আইনের দৃষ্টিতে সমতা (অনু. ২৭), জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার (অনু. ৩২), গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ (অনু. ৩৩)।
৪. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি কি আদালতে বলবৎযোগ্য?
না। এগুলো দ্বিতীয় ভাগে আছে, এবং অনুচ্ছেদ ৮(২) অনুযায়ী আদালতের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য নয়। তবে আইন প্রণয়নে এবং সংবিধান ও অন্যান্য আইনের ব্যাখ্যায় এগুলো নির্দেশক হিসেবে কাজ করে।
৫. অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী রিটগুলোর নাম লিখুন।
  • হেবিয়াস কর্পাস: আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করানো।
  • ম্যান্ডামাস: কর্তৃপক্ষকে আইনগত দায়িত্ব পালনে বাধ্য করা।
  • প্রহিবিশন: এখতিয়ারবহির্ভূত কাজ থেকে বিরত রাখা।
  • সার্শিওরারি: আইনগত কর্তৃত্ব ছাড়া দেওয়া আদেশ বাতিল করা।
  • কো-ওয়ারেন্টো: কোন কর্তৃত্বে কেউ সরকারি পদে আছেন, তা জানতে চাওয়া।
৬. সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ কী কী?
অনুচ্ছেদ ৯৪ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের দুটি বিভাগ: আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।

📜 চুক্তি আইন ১৮৭২

১. চুক্তির সংজ্ঞা দিন।
ধারা ২(জ) অনুযায়ী, “আইনের মাধ্যমে বলবৎযোগ্য সম্মতিই চুক্তি”। পরস্পরের প্রতিদান হিসেবে দেওয়া প্রতিশ্রুতির সমষ্টিকে সম্মতি বলে [ধারা ২(ঙ)]।
২. বৈধ চুক্তির অপরিহার্য উপাদানগুলো লিখুন।
ধারা ১০ অনুযায়ী:
  • বৈধ প্রস্তাব ও গ্রহণ,
  • স্বাধীন সম্মতি,
  • চুক্তি করার যোগ্য পক্ষ,
  • বৈধ প্রতিদান ও বৈধ উদ্দেশ্য,
  • আইনে স্পষ্টভাবে বাতিল ঘোষিত নয় এমন সম্মতি।
৩. কে চুক্তি করার যোগ্য? নাবালকের চুক্তির আইনগত অবস্থান কী?
ধারা ১১ অনুযায়ী যিনি সাবালক, সুস্থ মস্তিষ্কের এবং আইনে অযোগ্য নন, তিনি চুক্তি করার যোগ্য। নাবালকের সঙ্গে চুক্তি শুরু থেকেই বাতিল, যেমন মোহরী বিবি বনাম ধর্মদাস ঘোষ (১৯০৩)।
৪. স্বাধীন সম্মতি কাকে বলে?
ধারা ১৪ অনুযায়ী সম্মতি তখনই স্বাধীন, যখন তা জবরদস্তি (ধারা ১৫), অনুচিত প্রভাব (ধারা ১৬), প্রতারণা (ধারা ১৭), মিথ্যা বর্ণনা (ধারা ১৮) বা ভুলের (ধারা ২০–২২) কারণে দেওয়া হয়নি।
৫. বাতিল সম্মতি ও বাতিলযোগ্য চুক্তির পার্থক্য লিখুন।
বাতিল সম্মতি [ধারা ২(ছ)] আইনে একেবারেই বলবৎযোগ্য নয়। বাতিলযোগ্য চুক্তি [ধারা ২(ঝ)] এক পক্ষের ইচ্ছায় বলবৎযোগ্য, অন্য পক্ষের ইচ্ছায় নয়। যেমন, জবরদস্তি বা প্রতারণার মাধ্যমে সম্মতি আদায় করা হলে।
৬. সাধারণ প্রস্তাব কী? একটি মামলা উল্লেখ করুন।
জনসাধারণের উদ্দেশে দেওয়া প্রস্তাবকে সাধারণ প্রস্তাব বলে। যে কেউ এর শর্ত পূরণ করলেই প্রস্তাবটি গ্রহণ করা হয়েছে বলে ধরা হয়। মামলা: কারলিল বনাম কার্বলিক স্মোক বল কোম্পানি (১৮৯৩)।

🕌 মুসলিম আইন

১. মুসলিম আইনের প্রাথমিক উৎসগুলো কী কী?
চারটি প্রাথমিক উৎস: কুরআন, সুন্নাহ (মহানবী ﷺ-এর বাণী ও কর্ম), ইজমা (আইনবিদদের ঐকমত্য) এবং কিয়াস (সাদৃশ্যমূলক যুক্তি)।
২. বৈধ মুসলিম বিবাহের অপরিহার্য শর্তগুলো লিখুন।
  • একই বৈঠকে প্রস্তাব (ইজাব) ও গ্রহণ (কবুল),
  • পক্ষদ্বয় সুস্থ মস্তিষ্কের ও বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়া,
  • হানাফি আইনে দুজন প্রাপ্তবয়স্ক মুসলিম সাক্ষী (দুজন পুরুষ, অথবা একজন পুরুষ ও দুজন নারী),
  • পক্ষদ্বয়ের মধ্যে কোনো আইনগত নিষেধ না থাকা।
বাংলাদেশে মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী বিবাহ নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
৩. দেনমোহর কী? এটি কত প্রকার?
বিবাহের কারণে স্ত্রী স্বামীর কাছ থেকে যে অর্থ বা সম্পত্তি পাওয়ার অধিকারী, তা-ই দেনমোহর। তাৎক্ষণিক দেনমোহর চাওয়ামাত্র পরিশোধযোগ্য। বিলম্বিত দেনমোহর মৃত্যু বা তালাকে বিবাহ বিচ্ছেদ হলে পরিশোধযোগ্য।
৪. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর ধারা ৭ কী বলে?
তালাক দিতে চাইলে স্বামীকে চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত নোটিশ দিতে হবে এবং এর একটি কপি স্ত্রীকে দিতে হবে। নোটিশ দেওয়ার ৯০ দিন পর তালাক কার্যকর হয়, যদি এর আগে তা প্রত্যাহার না করা হয়। স্ত্রী গর্ভবতী হলে ৯০ দিন অথবা গর্ভাবস্থা শেষ হওয়া, এর মধ্যে যেটি পরে হয়, তখন তালাক কার্যকর হয়।
৫. মুসলিম বিবাহবিচ্ছেদ আইন ১৯৩৯ অনুযায়ী স্ত্রী কোন কোন কারণে বিচ্ছেদ চাইতে পারেন?
ধারা ২ অনুযায়ী কয়েকটি কারণ:
  • ৪ বছর ধরে স্বামী নিখোঁজ,
  • ২ বছর ধরে ভরণপোষণ না দেওয়া,
  • স্বামীর ৭ বছর বা তার বেশি কারাদণ্ড,
  • ৩ বছর ধরে দাম্পত্য দায়িত্ব পালন না করা,
  • ১৯৬১ সালের অধ্যাদেশ লঙ্ঘন করে আরেকটি বিয়ে,
  • নিষ্ঠুর আচরণ।
৬. বৈধ হেবা (দান)-এর অপরিহার্য উপাদান কী কী?
দাতার পক্ষ থেকে দানের ঘোষণা, গ্রহীতার পক্ষ থেকে গ্রহণ, এবং সম্পত্তির দখল হস্তান্তর।

🪔 হিন্দু আইন

১. হিন্দু আইনের উৎসগুলো কী কী?
প্রাচীন উৎস: শ্রুতি (বেদ), স্মৃতি (যেমন মনুসংহিতা), ভাষ্য ও নিবন্ধ, এবং প্রথা। আধুনিক উৎস: আইন প্রণয়ন, বিচারিক নজির, এবং ন্যায়, সুবিচার ও বিবেক।
২. দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা মতবাদের পার্থক্য কী?
দায়ভাগ মতবাদ জীমূতবাহনের রচনাভিত্তিক এবং বাংলাদেশে প্রচলিত। এতে পিতার জীবদ্দশায় পুত্র জন্মসূত্রে সম্পত্তির অধিকার পায় না; উত্তরাধিকার নির্ধারিত হয় পিণ্ডদানের অধিকারের ভিত্তিতে। মিতাক্ষরা মতবাদ বিজ্ঞানেশ্বরের রচনাভিত্তিক। এতে পুত্র জন্মসূত্রেই যৌথ পারিবারিক সম্পত্তির অংশীদার হয়।
৩. স্ত্রীধন কী?
স্ত্রীধন হলো হিন্দু নারীর নিজস্ব সম্পত্তি, যেমন বিয়ের সময় বা পরে পাওয়া উপহার। এর ওপর নারীর পূর্ণ মালিকানা থাকে এবং তিনি ইচ্ছামতো তা হস্তান্তর করতে পারেন। তাঁর মৃত্যুর পর স্ত্রীধন বিশেষ উত্তরাধিকার নিয়মে হস্তান্তরিত হয়।
৪. বৈধ দত্তক গ্রহণের শর্তগুলো লিখুন।
  • দত্তক গ্রহীতা সুস্থ মস্তিষ্কের ও সাবালক হিন্দু পুরুষ হবেন, যাঁর পুত্র নেই। বিধবা দত্তক নিতে পারেন স্বামীর অনুমতি থাকলে।
  • শাস্ত্রীয় আইনে শুধু পুত্র দত্তক নেওয়া যায়।
  • যিনি দত্তক দেবেন, অর্থাৎ পিতা বা মাতা, তাঁর সক্ষমতা থাকতে হবে।
  • প্রকৃতপক্ষে দান ও গ্রহণ সম্পন্ন হতে হবে (দত্ত হোম)।
৫. হিন্দু নারীর সম্পত্তি অধিকার আইন ১৯৩৭-এর মূল বিষয় কী?
এই আইনে হিন্দু বিধবাকে স্বামীর সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার দেওয়া হয়েছে। তবে তা সীমিত স্বত্ব (হিন্দু নারীর জীবনস্বত্ব)। বিধবার মৃত্যুর পর সম্পত্তি স্বামীর পরবর্তী উত্তরাধিকারীদের কাছে যায়।
৬. হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন ২০১২ সম্পর্কে লিখুন।
এই আইনে বাংলাদেশে হিন্দু বিবাহ নিবন্ধনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। নিবন্ধন ঐচ্ছিক, বাধ্যতামূলক নয়। নিবন্ধিত বিবাহ বিবাহের প্রমাণ হিসেবে কাজ করে এবং বিশেষ করে নারীর আইনি অধিকার রক্ষায় সহায়ক।

🩹 টর্ট আইন

১. টর্টের সংজ্ঞা দিন।
সামন্ডের মতে, টর্ট হলো এমন একটি দেওয়ানি অন্যায়, যার প্রতিকার অনির্ধারিত ক্ষতিপূরণের জন্য মামলা। এটি শুধু চুক্তিভঙ্গ বা ট্রাস্ট ভঙ্গ নয়।
২. ড্যামনাম সাইন ইনজুরিয়া ও ইনজুরিয়া সাইন ড্যামনো-র পার্থক্য লিখুন।
ড্যামনাম সাইন ইনজুরিয়া মানে আইনগত অধিকার লঙ্ঘন ছাড়া ক্ষতি। এর জন্য মামলা চলে না (গ্লস্টার গ্রামার স্কুল মামলা, ১৪১০)। ইনজুরিয়া সাইন ড্যামনো মানে প্রকৃত ক্ষতি ছাড়া আইনগত অধিকার লঙ্ঘন। এর জন্য মামলা চলে (অ্যাশবি বনাম হোয়াইট, ১৭০৩)।
৩. অবহেলার উপাদানগুলো কী কী?
(১) বিবাদীর বাদীর প্রতি যত্নের দায়িত্ব ছিল, (২) বিবাদী সেই দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছেন, এবং (৩) এই লঙ্ঘনের ফলে বাদীর ক্ষতি হয়েছে। প্রধান মামলা: ডনোহিউ বনাম স্টিভেনসন (১৯৩২), যেখানে “প্রতিবেশী নীতি” প্রতিষ্ঠিত হয়।
৪. কঠোর দায় নীতি ব্যাখ্যা করুন।
রাইল্যান্ডস বনাম ফ্লেচার (১৮৬৮) অনুযায়ী, কেউ নিজের জমিতে এমন কিছু আনলে যা বের হয়ে গেলে ক্ষতি করতে পারে, তা বের হয়ে ক্ষতি করলে অবহেলা না থাকলেও তিনি দায়ী হবেন। ব্যতিক্রম: দৈব ঘটনা, বাদীর নিজের দোষ, সম্মতি, তৃতীয় ব্যক্তির কাজ এবং আইনগত কর্তৃত্ব। ভারতের এম.সি. মেহতা বনাম ভারত ইউনিয়ন (১৯৮৭) মামলায় বিপজ্জনক শিল্পের জন্য আরও কঠোর “চরম দায়” নীতি গড়ে ওঠে।
৫. প্রতিনিধিত্বমূলক দায় কী?
অন্যের করা টর্টের জন্য দায়। সবচেয়ে প্রচলিত উদাহরণ: কর্মচারী চাকরির সূত্রে কাজ করতে গিয়ে টর্ট করলে মালিক বা নিয়োগকর্তার দায়।
৬. “ভলেন্টি নন ফিট ইনজুরিয়া” বলতে কী বোঝায়?
অর্থ: “স্বেচ্ছায় ঝুঁকি নেওয়া ব্যক্তির প্রতি কোনো অন্যায় হয় না।” কেউ জেনেশুনে ও স্বেচ্ছায় কোনো ঝুঁকিতে সম্মতি দিলে পরে সেই ঝুঁকি থেকে হওয়া ক্ষতির জন্য মামলা করতে পারেন না। উদাহরণ: ক্রিকেট ম্যাচে বলের আঘাতে আহত দর্শক।

পরীক্ষার জন্য গাইডেড প্রস্তুতি চান?

আমাদের ক্লাসে ভর্তি হোন অথবা প্রস্তুতি নিয়ে প্রশিক্ষকের সঙ্গে কথা বলুন।